লাইলাতুল কদর: নামাজের নিয়ম

লাইলাতুল কদর: নামাজের নিয়ম

জুন ১, ২০১৯ 1 By আরসিএন২৪বিডি.কম

‘শবে কদর’ একটি ফারসি শব্দ। আর এর আরবি হলো ‘লাইলাতুল কদর‘। শব ও লাইলাত শব্দের অর্থ রাত। আর কদর শব্দের অর্থ মাহাত্ম্য ও সম্মান। এ রাতের মাহাত্ম্য ও সম্মানের কারণেই একে শবে কদর বা লাইলাতুল কদর বলা হয়।

লাইলাতুল কদর-এর একরাতের ইবাদতের বিনিময়ে হাজার মাস ইবাদত করার সওয়াব পাওয়া যায় এই কদরের রাতে ।

আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি কুরআন অতীর্ণ করেছি কদরের রাতে। কদরের রাত হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ।(সূরা কদর)
আল্লাহ তাআলা সূরা কাদের এসব বলেছেন।

কোন রাতে শবে কদর হবে :
রমজান মাসের শেষ দশ দিনের যেকোনো একটি রাত হল শবে কদর। এ রাতের ফজিলত অন্য যেকোনো রাতের চেয়ে অনেক গুণ বেশি। বলা যেতে পারে- এ রাত হাজার রাত অপেক্ষা উত্তম।

এ রাতে যত বেশি নফল নামাজ আদায় করবেন তত বেশি সওয়াব।

শবে কদরের রাতে যত বেশি নামাজ পড়া যায় তত উত্তম , আল কোরআন তেলাওয়াত , জিকির ও দোয়া করুন। যেন আল্লাহ্‌ তা’য়ালা আপনার আগের গুনাহ সমস্ত মাফ করে দেন এবং রহমত ও বরকত দান করেন।

এ রাত নামাজসহ বিভিন্ন ইবাদতের মধ্যদিয়ে কাঁটিয়ে দিন।

দুই রাকআত করে সালাম ফিরিয়ে ন্যূনতম আট রাকআত থেকে যত সম্ভব পড়া যেতে পারে এই শবে কদরের রাতে । সূরা ফাতেহার সাথে আপনার জানা যেকোনো সূরা মিলিয়ে পড়লেই চলবে।

কিছু ব্যতিক্রম নিয়মে সূরা ফাতেহার সঙ্গে ৩৩ বার সূরা আল কদর, ৩৩ বার ইখলাস পড়লেও অসুবিধার কারণ নেই।

“সুবাহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার” এ দোয়া পাঠ করলে অধিক সওয়াব পাওয়া যাবে।

শবে কদরের নামাজের নিয়ত: নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা’য়ালা রাকাতায় সালাতিল লাইলাতিল কাদরি মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার

হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ৪ রাকয়াত নামাজ কদরের রাতে আদায় করবে এবং উক্ত নামাজের প্রতি রাকয়াতে সূরা ফাতিহার পর ২১ বার করে সূরা ইখলাছ পাঠ করবে, আল্লাহ তা’য়ালা ওই ব্যক্তিকে সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর ন্যায় নিষ্পাপ করে দেবেন এবং বেহেশতের মধ্যে এক মনোমুগ্ধকর মহল তৈরি করে দেবেন।’

অপর এক হাদিসে বর্ণিত রয়েছে, হযরত রাসূল (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি কদরের রজনীতে ৪ রাকয়াত নামাজ আদায় করবে এবং উহার প্রতি রাকয়াতে সূরা ফাতিহার পরে সূরা ক্বদর ও সূরা ইখলাছ তিনবার করে পাঠ করবে,

নামাজ শেষে সিজদায় গিয়ে নিম্নের দোয়াটি কিছু সময় পাঠ করে আল্লাহর দরবারে যা-ই প্রার্থনা করবে তিনি তাই কবুল করবেন এবং তার প্রতি অসংখ্য রহমত বর্ষিত করবেন।’

জিকির ও দোয়: হাদিসে যে দোয়া ও জিকিরের অধিক ফজিলতের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো থেকে কয়েকটি নির্বাচিত করে অর্থ বুঝে বারবার পড়া যেতে পারে।

ইস্তেগফার ও দরুদ আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়। কমপক্ষে ১০০ বার ইস্তেগফার ও ১০০ বার দরুদ পড়া যেতে পারে।

বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি হতে পারে ‘লিগ্যাল ব্যাটল’

আরসিএন ২৪ বিডি / সময় ১৫৪৫ ঘন্টা ১ জুন ২০১৯