April 13, 2024
যাদের জুম্মার নামাজ কোনো কাজে আসে না

যাদের জুম্মার নামাজ কোনো কাজে আসে না

Read Time:3 Minute, 55 Second

জুম্মার দিন জোহরের ওয়াক্তে নিরবে মনোযোগের সঙ্গে খুতবাহ শোনা এবং জামাতে ২ রাকাত নামাজ পড়া হচ্ছে প্রধান কাজ।

কিন্তু জুম্মার খুতবায় অংশগ্রহণ করে নামাজ পড়ার পরও অনেকের নামাজ কোনো কাজে আসে না।

জুম্মার দিন দিনের শ্রেষ্ঠ আদব হলো- আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সুন্দরভাবে নিঃশব্দে মসজিদে গিয়ে যেখানে জায়গা থাকবে সেখানে অবস্থান নেওয়া; সময় থাকলে সুন্নাত নামাজ পড়া এবং কাউকে কষ্ট না দিয়ে, কারো ঘাড় টপকে সামনে না গিয়ে চুপচাপ ইমামের খুতবা শোনা এবং নামাজ পড়া। কিন্তু যারা এর ব্যতিক্রম করবে; তাদের নামাজ হবে অর্থহীন। হাদিসে পাকের একাধিক বর্ণনায়ও তা ওঠে এসেছে।

শুধু তা-ই নয়, এমন অনেক মুসল্লি আছে; যারা মসজিদে আসে, ইমামের খুতবার সময় কথাবার্তা বলে। মানুষের কাঁধ টপপে সামনে এগুতে থাকে। তারাও জুম্মা থেকে ফায়েদা নিতে পারে না।

# এক ধরনের লোক অনর্থক কাজ সহকারে উপস্থিত হয়। (অর্থাৎ খুতবাহর সময় সে অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলে ও অযথা কাজ করে) জুম্মা থেকে সে তা-ই পায় (অর্থাৎ তার জুমা বৃথা যায়)।

# আর এক ধরনের লোক আছে যারা দোয়া সহকারে উপস্থিত হয়। সে আল্লাহর কাছে কোনো কাঙ্খিত বস্তু প্রার্থনা করে; আল্লাহ তাআলা ইচ্ছা করলে তাকে তা দান করেন; আর না চাইলে বঞ্চিত রাখেন।

# আর এক ধরনের লোক আছে যারা উপস্থিত হয় সন্তর্পণে নীরবতার সাথে (শুধু জুম্মার নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে) এবং সামনে যাওয়ার জন্য কোনো মুসলমানের ঘাড় টপকায় না; আর কাউকে কোনো ধরনের কষ্টও দেয় না। তার এ কাজ তার এজুম্মার নামাজ থেকে পরবর্তী জুম্মার নামাজ পর্যন্ত সময়ের সব (সগিরাহ) গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়। এবং আরো অতিরিক্ত তিনদিনের জন্য। এটা এ জন্য যে, আল্লাহ তাআলা বলেন, যে ব্যক্তি একটি ভালো কাজ করে তার জন্য তার দশগুণ বিনিময় রয়েছে।’ (আবু দাউদ, মিশকাত)

অথচ মুসলিম উম্মাহর জন্য জুম্মার দিনটি সপ্তাহের সবচেয়ে খুশির দিন; আনন্দের দিন। এ দিনটি বান্দার বিশেষ ইবাদতের দিন। এ সম্পর্কে প্রিয় নবি কোনো এক জুম্মার দিন ঘোষণা দেন-

‘হে মুসলিম সম্প্রদায়! এটি এমন একটি দিন, একে আল্লাহ তাআলা (মুসলমানদের জন্য) খুশির দিন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। সুতরাং তোমরা এ দিনে গোসল কর, যার সুগন্ধি আছে সে তা ব্যবহার করলে তার কোনো ক্ষতি হবে না (অর্থাৎ সুগন্ধি ব্যবহার কর) এবং মেসওয়াক করাকে আবশ্যক মনে কর।’ (ইবনে মাজাহ, মিশকাত)

তাই আমাদের উচিত, জুম্মার দিন নামাজ পড়তে গিয়ে যথাযথ হক আদায় করে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিশ্চুপ থাকা, ইমামের খুবা শোনা এবং জুমার নামাজ পড়া।

আরসিএন ২৪ বিডি / ৩ জুন ২০২২

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
100 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %

Average Rating

5 Star
0%
4 Star
0%
3 Star
0%
2 Star
0%
1 Star
0%

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রচারণায় নেমেছেন ৬ আসনের প্রার্থীরা Previous post তিন এমপিকে সাবধান করল ইসি
বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচল মোহামেডান Next post বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচল মোহামেডান