যৌন হয়রানির অভিযোগে আটক ১ – লালমনিরহাটবর্তমান সময়ে আমরা শরীরের ওজন বেশী হয়ে যাচ্ছে বলে অনেকে দুশ্চিন্তায় খাওয়া কমিয়ে দিয়ে শরীর শুকানোর চেষ্টা করে থাকি।
আবার কেওবা কয়েকদিন ব্যায়াম করে বন্ধ করে দিয়ে থাকি। আমাদের এই অনিয়মের কারণে শরীরের আদর্শ ওজন তৈরী হওয়ার পরিবর্তে নানা রকম অসুখ হতে পারে কিংবা আরও মোটা হয়ে যেতে পারে।
তাই ওজন কমানোর সবচেয়ে ভালো এবং দ্রুততম উপায় সম্পর্কে আমাদের জানতে হবে।
এখানে ৭ দিনে শরীরের ওজন ৪-৫ কেজি কমানোর একটি খাদ্য তালিকা দেওয়া হল যা FAD diet নামে পরিচিত। তবে আমরা যারা একটু শারীরিকভাবে দুর্বল এবং হার্ট, কিডনি, ডায়বেটিস সহ অন্য কোন জটিল রোগে আক্রান্ত রয়েছি তারা খুব সাবধানতা অবলম্বন করে এবং প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওজন কমানোর এই তালিকাটি মানবো।
ওজন কমানোর ডায়েট :
প্রথম দিনঃ প্রথম দিনটি শুরু হবে যে কোন ফল অথবা জুস দিয়ে এবং তরমুজও খেতে পারবো, তবে কলা খাওয়া যাবে না।
দ্বিতীয় দিনঃ তেল না দিয়ে অথবা সামান্য তেল দিয়ে সবজি, সবজী ভাজী অথবা সবজি সুপ (যতটুকু আমরা খেতে পারি ) খেয়ে দ্বিতীয় দিনটি শেষ করবো।
তৃতীয় দিনঃ প্রথম এবং দ্বিতীয় দিনের মেনু এক সাথে করে কলা বাদ দিয়ে যে কোন ফল এবং সবজী (যতটুকু আমরা খেতে পারি) খেতে পারবো।
চতুর্থ দিনঃ চতুর্থ দিনে ৮টি কলা এবং ৪ গ্লাস দুধ অথবা ৫টি কলা ও ৫ গ্লাস দুধ এবং ১ কাপ সবজী সুপও খেতে পারবো।
পঞ্চম দিনঃ ১ কাপ ভাত, ৬টি টমেটো অথবা যে কোন সিদ্ধ অথবা অল্প সিদ্ধ সবুজ সবজী দিয়ে পঞ্চম দিনের খাওয়ার মেনু তৈরী করতে হবে।
৬ষ্ঠ দিনঃ পঞ্চম দিনের মত একই নিয়মে ৬ষ্ঠ দিনের খাওয়ার মেনু তৈরী করে খতে পারবো। তবে, কমপক্ষে ১০-১২ গ্লাস পানি খেতে ভুলে যাওয়া যাবে না।
সপ্তম দিনঃ পঞ্চম এবং ৬ষ্ঠ দিনের মত শেষ দিনেও ১ কাপ ভাত, সিদ্ধ অথবা অল্প সিদ্ধ সবুজ সবজী কিংবা ফলের জুস এবং এক টুকরা মাছ অথবা ১০০-২০০ গ্রাম মুরগী অথবা গরুর মাংস খেতে পারবো।
ক্র্যাশ ডায়েট করে ওজন কমানোর সময় আমাদের কে যা খেয়াল রাখতে হবেঃ এই সাত দিনে কমপক্ষে প্রতিদিন ১০-১২ গ্লাস পানি খেতে হবে এবং ভারী কোন ব্যায়াম করা যাবে না। এই সাত দিনের মধ্যে শরীর খুব বেশী দুর্বল মনে হলে আমাদের কে নিয়মটি বন্ধ করে দিতে হবে। ৭ দিন শেষ হওয়ার পর খাবারের পরিমাণ আস্তে আস্তে করে আমরা বাড়াতে পারবো এবং অতিরিক্ত তেল যুক্ত খাবার পরিহার করবো, নিয়মিত ব্যায়াম করবো এবং পুনরায় আমরা যদি এই নিয়ম শুরু করতে চাই তাহলে কমপক্ষে এক সপ্তাহ বিরতি দিতে হবে।