যে ভাবে বুঝবেন আপনার সঙ্গী পরকীয়া করছে কি

যে ভাবে বুঝবেন আপনার সঙ্গী পরকীয়া করছে কি

আগস্ট ৩১, ২০১৯ 1 By আরসিএন২৪বিডি.কম

পরকীয়া যে কোনো বয়েসে করতে পারে , তবে পরকীয়া তে জড়াতে পারে নারী ও পুরুষ উভয়ে , সাধারণত প্রায় এখন পরকীয়াতে লিপ্ত সব ঘরে ,

এটি একটি পরিবারের সাজানো সংসার ধ্বংস করে দেয় এবং ভয়ঙ্কর অপরাধের জন্ম দেয়। পারিবারিক জীবনে অশান্তি তৈরি করে।

বিবাহের পরে ভিন্ন স্বামী বা স্ত্রীর প্রতি আকৃষ্ট হওয়া ও তাঁর সাথে প্রেম করা ও অসামাজিক সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়া মূলত পরকিয়া ।

আর এখন একটি বড় সমস্যা বিবাহিত জীবনের তা হলো পরকীয়া । আপনার জীবনসঙ্গী কি পরকীয়া করছে? কি ভাবে বুজবেন ?

তবে কিছু সাধারণ লক্ষণ দেখে বুঝতে পারা যায় যে সে পরকীয়ায় জড়িত । পরকিয়া সম্পর্ক কয়েকটি কারনে হয়ে থাকে।

তাঁর মধ্যে উল্লেখ্য স্বামী স্ত্রীর চাহিদাকে গুরুত্ব না দেওয়া। যেমন সময়, ভালো আচরণ ও শারীরিক সম্পর্কে প্রতি গুরুত্ব না দেওয়া ।

স্ত্রী স্বামী’র চাওয়া পাওয়ার প্রতি গুরুত্ব না দেওয়া। তাঁর মধ্যে হতে পারে স্বামীর সাথে ভালো ব্যবহার না করা, শারীরিক সম্পর্কে অস্বীকৃতি সহ স্বামীর যৌন কার্যে সাড়া না দেওয়া।

এসব কারণ বিবাহিত নারী পরপুরুষ ও বিবাহিত পুরুষ পরনারীর প্রতি আকৃষ্ট হয়। কেননা, একজন নারী কিংবা পুরুষ তাঁর কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিকে দিয়ে তাঁর প্রত্যাশা বা মনের চাহিদা পূরণ করতে না পারে তাহলে তাঁর বিপরীত কাউকে খুঁজে নেয়।

১) আপনার জীবনসঙ্গীর কাছে একের অধিক সিম ও মোবাইল ফোন।

২) কোন কিছু জিঘাসা করলে এরিয়ে যাওয়া/রাগ দেখানো।

৩) সব সময় ফেসবুকে থাকা।

৪) বন্ধুবান্ধবের সাথে বেশি সময় দেয়া।

৫) আপনাকে তার ফেসবুক না দেখানো/ফেক আইডি ব্যাবহার করা।

৬) আপনার সামনে যেমন তেমন কিন্তু অন্য পুরুষের সামনে নিজেকে আকৃষ্ট দেখানো।

৭) মাত্রাধিক মিথ্যে কথা বলা।
৮) আপনি বাহিরে থাকলে আগের মতো ফোন করবে না।

উপরিক্ত এই সাধারণ বিষয়গুলো যা আমরা নজরান্দাজ করি এসবি কিন্তু পরকীয়ার মুল লক্ষণ।

আপনার বউ/স্বামী সব সময় আপনার উপর ক্ষিপ্ত মেজাজে কথা বলা এটা কেন? তা ভাবেন কারণ সে আপনার সাথে কথা বলতে ইচ্ছুক নয়। পরকীয়ার সম্পর্ক একটি বিষাক্ত সম্পর্ক।

একটি সুন্দর হাসিখুশি সুখের সংসার নিমিষেই গুঁড়িয়ে দেবার ক্ষমতা রাখে এই পরকীয়ার সম্পর্ক।

কেউ নিজের ইচ্ছায় এই বিষাক্ত সম্পর্কের পথে পা বাড়ান আবার কেউ মনের অজান্তেই জড়িয়ে পড়েন।

মনের মত স্বামী/স্ত্রী না পেলে অনেকে সচেতন ভাবেই পরকীয়া করেন।

আবার, ঘরের স্বামী/স্ত্রীর কাছ থেকে অবহেলার শিকার হয়ে মনের অজান্তেই অন্য কারো সাথে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেকে।

পরকীয়ার বিষ সংসারে ঢুকলে সুখ শান্তি কিছুই আর অবশিষ্ট থাকে না।

বিয়ের মত একটি পবিত্র বন্ধনকেও বিষাক্ত মনে হয় তখন। আমি বিষয়গুলো আরও বিস্তারিত ভাবে বলছি,

১) সঙ্গী যদি ফোন বা ইন্টারনেটে আসক্ত হয়ে পড়েন : সঙ্গী ফোনের পেছনে কতটা সময় ব্যয় করছেন সেদিকে নজর রাখুন।

একসাথে বসে থেকে বা ঘুরতে গেলে যদি তিনি ফোন নিয়েই ব্যস্ত থাকেন, মেসেজ বা ইন্টারনেট ব্রাউজিং করেন- তাহলে তা নিশ্চিতভাবে অন্য একটি সম্পর্কেরই ইঙ্গিত।

এছাড়া দিনের বেশিরভাগ সময়ে তাকে যদি ফোনালাপে ব্যস্ত পাওয়া যায় তাহলেও বিষয়টি লক্ষণীয়। অনেকে বলতে পারেন কাজের প্রয়োজনে মানুষ ফোন বেশি ব্যবহার করতেই পারে।

কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন, কাজের প্রয়োজনে ফোনালাপ এবং কারো সাথে প্রেমময় ফোনালাপের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে এবং এই পার্থক্য বোঝার মত ক্ষমতাও বিবাহিত প্রত্যেক মানুষের হওয়া উচিত।

শুধুমাত্র ফোন নয়, ফেসবুক কিংবা অন্যান্য যোগাযোগের মাধ্যমের প্রতি আসক্তির মাত্রার ওপরও নজর দেবেন।

২) তিনি যদি আপনার ও পরিবারের পেছনে কম সময় ব্যয় করেন : সঙ্গী যদি আপনাকে আগের চাইতে কম সময় দেয়া শুরু করেন, তাহলে এটিও একটি লক্ষণ হিসেবে ধরে নেয়া যায়।

খুব ভালো করে আপনার সঙ্গীর প্রতিদিনকার কাজকর্ম লক্ষ্য করুন।

যদি বুঝতে পারেন যে আগের চাইতে কম সময় পাচ্ছেন, তাহলে বোঝার চেষ্টা করুন সেই বাড়তি সময়টা তিনি কীভাবে ব্যয় করছেন।

আপনি তাকে সময় দেয়ার কথা বলে দেখুন, একসাথে বসে টিভি দেখার কথা বলুন, তাকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার আমন্ত্রন জানান, আত্মীয় স্বজনদের ও পারিবারিক বন্ধুদের সময় দেয়ার কথা বলুন।

তিনি যদি আপনাকে অজুহাত দেখিয়ে না বলেন তাহলে জানার চেষ্টা করুন অজুহাতটি সত্যি কিনা।

সঙ্গী যদি পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের কাছ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে শুরু করে বিনা কারণে, তাহলে ধরে নিতে পারেন তিনি পরকীয়ায় লিপ্ত।

৩) নতুন কোন নাম : আপনার সঙ্গীটির মুখে যদি নতুন কোন একটি নাম ঘন ঘন শুনতে পান, তবে একেও পরকীয়ার লক্ষণ হিসেবে নিতে পারেন।

সঙ্গীর যে বন্ধুটির কথা আগে কখনো শোনেননি, এমন কারো কথা ঘনঘন শুনলে তাকে জিজ্ঞেস করুন এবং তার মুখের ভাব লক্ষ্য করুন।

যদি তিনি প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান, কিংবা তার মুখের অভিব্যক্তি বদলে যায় তবে বিষয়টি অবশসই চিন্তার।

৪) অকারণে রেগে যাওয়া : আরও একটি বিষয় আছে যা বিশেষ ভাবে লক্ষণীয়। তা হল আপনার সঙ্গীর কথায় রাগের সুর।

খেয়াল করে দেখুন তো, আগে যে বিষয়গুলো আপনার সঙ্গীর রাগের উদ্রেক করতো না সেসব বিষয়ে কি তিনি রেগে যাচ্ছেন?

কিংবা কথায় কথায় আপনাদের দাম্পত্য জীবনকে অভিশাপ হিসেবে অভিহিত করছেণ? তার এসব কথার কোন যুক্তি আছে কিনা এইসব ব্যাপারগুলো লক্ষ্য করুন। বিনা কারণে অযৌক্তিক রাগ করা, কিংবা সবসময় খিটখিট করা পরকীয়ার অন্যতম লক্ষণ।

৫) আপনার সাথে যৌনসম্পর্কে উদাসীনতা : সঙ্গী যদি আপনার সাথে যৌনসম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন তাহলে আপনি এটি পরকীয়ার নিশ্চিত লক্ষন হিসেবে ধরতে পারেন।

যিনি অন্যের সাথে সময় কাটিয়ে আপনার প্রতি উদাসীন, তার মুখের অভিব্যক্তিই আপনাকে সব কথা বলে দেবে। আপনার সাথে সম্পর্ক স্থাপনে সঙ্গী আগ্রহী নন, অর্থাৎ তার চাহিদাটি পূরণ হচ্ছে অন্য কারো মাধ্যমে।

এছাড়াও অভ্যাস বশত যৌন সম্পর্ক করছেন কিনা স্রেফ আপনাকে খুশি করতে, সেটিও লক্ষ্য করুন।

এ জন্য সবসময়ে আপনি আপনার সঙ্গীকে সর্বোপরি সময় দিন , সাধারণত আপনার যে কাজ গুলো করা প্রয়োজন তাই করুন।

নসিমন করে ঢাকায় ফেন্সিডিল- আটক ৩

আরসিএন ২৪ বিডি