February 24, 2024
হিলারিকে দিয়ে ইউনূস বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ করে

হিলারিকে দিয়ে ইউনূস বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ করে

Read Time:3 Minute, 36 Second

গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস একটি এমডি পদের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকে দিয়ে পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ করিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (৮ জুন) একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশনে ‘প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে’ আনীত সাধারণ প্রস্তাব আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ভেবেছিলেন আমরা আত্মসমর্পণ করব। একটা কথা মনে রাখবেন, আমি শেখ মুজিবের মেয়ে। অন্যায়ের কাছে মাথানত করি না।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে জাপান সফরে যান। তখন কিন্তু পদ্মা সেতু, যমুনা সেতু সবগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। উত্তরবঙ্গে সব সময় দুর্ভিক্ষ লেগে থাকায় ওই সময় বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুর ওপরই গুরুত্ব দিয়েছিলেন। যমুনা সেতু তখন জাপান সরকারের প্রচেষ্টায় ফিজিবিলিটি স্টাডি হয়। সেই সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেন। পরবর্তীতে জিয়া ক্ষমতায় এসে সেটি বন্ধ করে দেন। এরশাদ ক্ষমতায় আসার পর উদ্যোগ নেন এবং ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন। কিন্তু ডিজাইন সবগুলো তখনো সম্পন্ন হয়নি।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর এই যমুনা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করি এবং সম্পন্ন করি। তখনো যমুনা সেতুর সঙ্গে কিন্তু রেললাইন ছিল না। বিদ্যুৎ ছিল না, গ্যাস লাইন ছিল না। এগুলো সব করে ওই সেতুটি নির্মাণ করি। তখন ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বলেছিল রেল লাইন দিয়ে এই সেতু লাভজনক হবে না। আর আমার কথা ছিল, এটা লাভজনক হবে। এতই লাভজনক হয়েছে যে এখন তারা উল্টো টাকা দিচ্ছে আলাদাভাবে রেল লাইন করতে। এটা হচ্ছে তাদের বিবেচনা।

সরকার প্রধান বলেন, আমি ৯৬ সালে সরকার গঠনের পর যখন জাপানে যাই, তখন তাদের বলেছিলাম যে আমার বাবা এসেছিলেন আপনারা যমুনা সেতু দিয়েছিলেন। আমি পদ্মা সেতু এবং রূপসা সেতু- এই দুইটা চাই। আমি জানি পদ্মা অত্যন্ত খরস্রোতা নদী। এটার ফিজিবিলিটি স্টাডি করতে অনেক সময় লাগবে। তাই রূপসা আগে করতে বলি। সেটা আমরা করে ফেলেছি। আর পদ্মার ফিজিবিলিটি স্টাডি হয়। পরে তারা যে পয়েন্টটি ঠিক করে, আমরা তখন শুধু একটা রোড ব্রিজ করে প্রকল্প তৈরি করে সেটার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করি। ২০০১ সালের ৪ জুলাই ওখানে আমরা ভিত্তিপ্রস্তর দেই।

আরসিএন ২৪ বিডি / ৯ জুন ২০২২

About Post Author

editors

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %

Average Rating

5 Star
0%
4 Star
0%
3 Star
0%
2 Star
0%
1 Star
0%

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

হার্ট অ্যাটাক করে হাসপাতালে হায়দার হোসেন Previous post হার্ট অ্যাটাক করে হাসপাতালে হায়দার হোসেন
মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র হচ্ছে ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক Next post মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র হচ্ছে ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক