আজ শপথ নিলে কাল যদি রাস্তায় নামা হয় পরশু দিনই সরকারের পতন হবে — দুদু

আজ শপথ নিলে কাল যদি রাস্তায় নামা হয় পরশু দিনই সরকারের পতন হবে — দুদু

এপ্রিল ৭, ২০১৯ 0 By আরসিএন২৪বিডি.কম

আজ যদি আন্দোলনের জন্য শপথ নেই আর কাল যদি রাস্তায় নামা হয় পরশু দিনই এই অবৈধ সরকারের পতন হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও কৃষক দলের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আসুন আন্দোলনের জন্য আমরা শপথ নেই। আর আজ যদি আমরা শপথ নেই,

কালকে যদি রাস্তায় নেমে পরি পরশুদিন দেখবেন এই অবৈধ সরকারের পতন হবে, তারা থাকবে না।

শুধু ঘর থেকে বের হউন, রাস্তায় নামুন তাহলে দেখবেন হিটলার-ফেরাউন যেভাবে ক্ষমতা ছেড়ে পালিয়েছে এই শেখ হাসিনাও সেভাবে পালাবেন। এটাই শেষ কথা।’

রবিবার (৭ এপ্রিল) বিএনপি আয়োজিত অনশন কর্মসূচিতে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বিএনপি এই নেতা এসব কথা বলেন।

মেহনতী মানুষের জন্য দুদু বলেন, ‘ছাত্র, যুব, কৃষক, মেহনতী মানুষ আপনাদের উদ্দেশ্যে আমি একটা কথাই বলবো।

বিএনপি, ২০ দল বা জাতীয় ঐক্যের সমালোচনা না করে নিজের সমালোচনা করুন। যতটুকু কর্মসূচি আমরা দেই, আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রাস্তায় নামি।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘দেশ একটি ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। ৪৭ ও ৭১-তেও এ রকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘অনশন কর্মসূচিতে উপস্থিত আছেন মুক্তিযুদ্ধের বীর উত্তম কাদের সিদ্দিকী ও এক সময়ের ডাকসুর ভিপি দেশের প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী আ স ম আব্দুর রব, আছেন আমাদের জাতীয় নেতৃবৃন্দ, তাদের কাছে আমি প্রশ্ন করি জীবনটা উৎসর্গ করেছিলেন দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার জন্য, বর্তমানের এই বাংলাদেশের জন্য কি? যে দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হয় না।

এরকম জানলে কি বাংলাদেশ বানাতেন আপনারা? ভোটের তারিখ ঘোষণা হয় ৩০, আর ভোট হয় ২৯ তারিখে, এটা শুনলে লজ্জা লাগে।’

তিনি বলেন, ‘বেগম জিয়া মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, স্বামীকে ছেড়ে ছিলেন। এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করার জন্য জেল খেটেছিলেন। গণতন্ত্রের জন্য ৯ বছর লড়াই করেছেন।

তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। নারীদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠা করেছেন। আর তাকেই কারাগারে বন্দি করে রেখেছেন। হায়রে বাংলাদেশ!’

ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনশনে উপস্থিত আছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস-চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আহমদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, গোলাম আকবর খন্দকার, যুগ্ম-মহাসচিব মুজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, বিলকিস জাহান শিরিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামিমুর রহমান, আমিরুল ইসলাম খান আলিম, কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. মাইনুল ইসলাম প্রমুখ।

ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের মধ্যে উপস্থিত আছেন আ স ম আব্দুর রব, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম, মাহমুদুর রহমান মান্না, হাবিবুর রহমান বীর প্রতীক, মোস্তফা মহসিন মন্টু প্রমুখ।

২০ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে ছিলেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক, মহাসচিব আহমেদ আব্দুল কাদের, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ডিএল’র মহাসচিব সাইফুদ্দিন মুনির, মুসলিম লীগের মহাসচিব জুলফিকার বুলবুল প্রমুখ।
আরসিএন২৪বিডি/ সময়: ১৭১৭ঘণ্টা, ০৬ এপ্রিল ,২০১৯