বিএনপির কর্মসূচি আগামী ৩ ও ৪ অক্টোবর

বিএনপির কর্মসূচি আগামী ৩ ও ৪ অক্টোবর

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৮ 0 By আরসিএন২৪বিডি.কম

রংপুর ক্রাইম নিউজ – জনসভা

বিএনপি দাবি আদায়ে আগামী ৩ অক্টোবর (বুধবার) দেশের সব জেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি এবং ৪ অক্টোবর মহানগরগুলোতে সমাবেশ করার কর্মসূচি দিয়েছে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রবিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আয়োজিত জনসভায় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

বিএনপির মহাসচিব জানান, দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং ‘নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার’ গঠনসহ বিভিন্ন দাবিতে এ সভার আয়োজন করা হয়। পর্যায়ক্রমে আরও কর্মসূচি আসবে বলেও তিনি বলেন ।

বিএনপির এ জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ফখরুল। রবিবার দুপুর ২.১০ মিনিটে কোরান তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সমাবেশ । কোরআন তেলাওয়াত করেন ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নেসারুল হক।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে কারাবন্দি খালেদা জিয়ার সম্মানে চেয়ার খালি রেখে এ সভা আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয়। তবে এ জনসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

জনসভায় সরকারের উদ্দেশে বিএনপির পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবি ও ১২ দফা লক্ষ্য (অঙ্গীকার) ঘোষণা করার আগে ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ দেশটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে।

দুর্নীতি-লুটপাট করে আজ অর্থনীতিকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের অসংখ্য সহযোদ্ধাকে গুম ও হত্যা করেছে। প্রতিদিন কয়েক হাজার ‘গায়েবি মামলা’ দিচ্ছে ।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সরকার ও পুলিশ-প্রশাসনকে উদ্দেশে’ এই ‘মিথ্যা মামলার’ জন্য ভবিষ্যতে জবাবদিহি করতে হবে আপনাদের ।

সব ঘটনাই তদন্ত হবে। তখন কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এই সরকারকে বিএনপির ভয়ে ধরেছে। তারা খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান আতঙ্কে ভুগছে।

প্রধান বক্তা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ‘অবৈধ সরকার’ রাষ্ট্রের তিনটি ‘স্তম্ভ’ (আইন, নির্বাহী ও বিচার বিভাগ) ধ্বংস করে দিয়েছে। এই সরকার ফ্যাসিস্ট সরকার। দুর্নীতি আর লুটপাট করে দেশের অর্থনীতি পঙ্গু করে দিয়েছে।

খালেদা জিয়ার আহ্বানে বিভিন্ন দলমত আজ ঐক্যবদ্ধ মন্তব্য করে বিএনপির এ নেতা বলেন, খালেদা জিয়া ছাড়া এদেশে কোনো নির্বাচন হবে না, হতে দেওয়া হবে না।

সরকার গায়ের জোরে ক্ষমতায় আছে অভিযোগ করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, জনগণের দাবি মেনে নিন। পদত্যাগ করুন। সংসদ ভেঙে দিতে হবে।

তিনি পুলিশ-প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা আওয়ামী লীগের চাকরি করেন না। এ দেশের মানুষের ট্যাক্সের টাকায় আপনারা বেতন পান। এখনো সময় আছে, আপনারা ‘নিরপেক্ষ’ দায়িত্ব পালন করুন।

খন্দকার মোশাররফ জনসভায় হুঁশিয়ারি করে দেন
‘রাজপথে ‘গণবিপ্লব’ ঘটিয়ে খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করা হবে । ‘

এ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জমির উদ্দিন সরকার, , মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস,

ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ্ আল নোমান সেলিমা রহমান, বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, জয়নাল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, শওকত মাহমুদ।

আরও বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভুইয়া, জয়নুল আবদিন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, আতাউর রহমান ঢালী,

যুগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, মজিবর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, নজরুল ইসলাম মঞ্জু,

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুন্সী বজলুল বাসিত আঞ্জু, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আসাদুল হাবিব দুলু, এমরান সালেহ প্রিন্স, বিলকিস জাহান শিরিন, শ্যামা ওবায়েদ,

বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সালাহ্উদ্দিন আহমদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার,স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খান, ছাত্রদলের সভাপতি রাজীব আহসান প্রমুখ।

<home>

বাসচাপায় এবার প্রাণ গেলো একাত্তর টিভির কর্মকর্তার

আরসিএন ২৪ বিডি.কম /এ পি এ